আটোয়ারী ফকিরগঞ্জ হাটটি পানি বন্দি জন দূর্ভোগের শেষ নেই

9

পঞ্চগড় প্রতিনিধি: পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার একমাত্র বড় ও বাণিজ্যিক হাট ফকিরগঞ্জ হাট বৃষ্টি হলেই পানিতে ডুবে ডোবায় পরিণত হয়। ফলে নোংরা পানিতে জলবদ্ধতায় মানুষের দূর্ভোগের শেষ নেই।

সুপ্রাচীন ফকিরগঞ্জহাট অবস্থান উপজেলা নির্বাহী অফিস হতে সর্বোচ্চ ৪০০/ ৫০০ মিটার হতে পারে। উপজেলা চেয়ারম্যান বদল হয় ‘ আসে নতুন নতুন নির্বাহী অফিসার উপজেলা ও প্রকৌশলী কিন্তু সমস্যার সমাধান হয় না।

আটোয়ারী উপজেলা স্বাধীনতার পূর্ববতি সময়ে দিনাজপুরের আওতায় ছিলো। পঞ্চগড়ের বাকি চার উপজেলা ছিলো ভারতের জলপাউগুড়ির মধ্যে। জনবহুল বাজারটির আজ করুণ দশা। সব ধরনের কৃষি পন্য ওঠে বাজারটিতে। রয়েছে বড় পশু হাট। পাশে অবস্থিত কলেজ, অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।মসজিদ -মন্দির ও ধর্মীয় নানা প্রতিষ্ঠানও। হাজার কিংম্বা শত শত মানুষ এই বাজারটিতে চলাফেরা করে কিন্তু কারো কোনো দায়িত্ব নেই । জনগনের কথা কেউ ভাবে না। একটু বৃষ্টি হলেই পানির স্রোত তৈরি হয় বাজারটিতে। হাট কমিটি ও কোন ব্যবস্থা নেয়না ‘অস্থায়ী বা স্থায়ি।মূল হাটের উপড়েই পানি জমে প্রচুর পরিমান পানিতে ডুবে থাকে।

থৈ থৈ করে পানি‘ বাস,অটো সহ সব ধরনের যান চলে এ বাজর দিয়ে। কৃষক তার পণ্য নিয়ে আসে ‘ নিয়ে যায়। গত কয়েকদিন ধরে থেমে থেমে বৃষ্টি হলে নিমিষেই ডুবে যায় পাকা সড়কটি। এরপর দুপাশে সৃষ্টি হয় কাদার। ফলে জনদূভোর্গের সৃষ্টি হয়। ঘঠে প্রায় দূর্ঘটনা।

বাজারটির মধ্যে দু/একটি ড্রেনের দেখা মিললেও তা বন্ধ হয়ে গেছে। কারন পানি কবের হওয়ার পথ কিংম্বা সে পরিস্থিতি নেই। দীর্ঘদিনের সমস্যা এটি ‘ সে ব্যাপারে বাস্তব কোন উদ্যোগ নেই। ডোবায় পরিণত হওয়া প্রায় ৫০০ মিটার স্থানটির আশেপাশে গড়ে উঠেছে বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। যেমন: সোনালি ব্যাংক অগ্রনী ও জনতা ব্যাংক , মোটর সাইকেলের শো রুম, , মেডিসিনের দোকন রডসিমেন্টের দোকান, কাপড়ের দোকান সহ সব রকমের দোকানপাট। আটোয়ারী উপজেলার একজন বিশিষ্ট ব্যবসায়ি কমলেস চন্দ্র ঘোষ বলেন ‘ এটা বড় দিনের সমস্যা। দ্রুত এর সমাধান হওয়ার দরকার।

এবিষয়ে আটোয়ারী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ তৌহিদুল ইসলাম জানান ‘ এই সমস্যা সমাধান হবে ‘ টেন্ডার অনেক আগেই হয়েছে। বর্ষার কারনে কাজ শুরু করা যাচ্ছেনা। কাজ শুরু করার আগে প্রায় দুশো বিদ্যূতের খুঁটি সরাতে হবে। বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সাথে দেখছি।