উন্নয়নমূলক কার্যক্রম বাধাগ্রস্থ ও অশুভনীয় আচরণ করার প্রতিবাদে শেরপুরে কাউন্সিলরে’র সংবাদ সম্মেলন

11

শেরপুর প্রতিনিধি : শেরপুর পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে বাধাগ্রস্থসহ অশুভনীয় আচরন এবং সাধারণ জনগণকে ভোগান্তী ফেলার প্রতিবাদে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৩ জানুয়ারি বুধবার দুপুরে শেরপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে ওই সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ বাদশা মিয়া।

তিনি বলেন, মডেল শেরপুর পৌরসভা বিনির্মানের অংশ হিসেবে পৌরসভাস্থ ৪ নং ওয়ার্ডের চলমান বৈদ্যুতিক বাতির উন্নয়ন কাজের গতিবৃদ্ধি করার জন্য তাগাদা দেওয়াটা কাউন্সিলর হিসেবে আমার দায়িত্ব। একাধিকবার ই›িজনিয়ারকে বলা হলেও সে তার কর্তব্য সঠিকভাবে পালন না করে উল্টো বিভান্ত করে একজন কর্মচারী দ্বারা ৪টি এলইডি বাল্প নিয়ে যায়। যা বৃহৎ একটি মহল্লায় সেটি দিয়ে সম্পুর্ন করা যাবেনা। তাই সেটি লাগানো নিষেধ করা হলে কর্মচারী উল্টো ক্ষিপ্ত হয় এবং অশুভনীয় আচরন করেন। এটিকে পূজি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে কিছু সংখ্যক কর্মচারী প্রচারনা চালায়। যা সম্পুর্নরুপে মিথ্যা ভিত্তিহীন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত আমি তার তীব্র নিন্দ্রা ও প্রতিবাদ জানাই।

এদিকে শেরপুর পৌরসভার কর্মচারী সংসদের কর্মচারী কর্মকর্তারা জানান, শেরপুর পৌরসভার বিদ্যুৎ শাখার একজন কর্মচারী নজরুল ইসলামসহ ২/৩ জন কর্মচারী ওই ৪নং ওয়ার্ডে কাজ করতে গেলে কাউন্সিলর বাদশা মিয়া তাদের সাথে খারাপ আচরন করেন এবং লোহার রড দ্বারা দৌড়ে নেন। এছাড়াও পৌর কর্তৃপক্ষকে গালিগালাজ পারেন। সে প্রেক্ষিতে পৌর কর্মচারী কর্মকর্তাগণ কাউন্সিলরকে অবাঞ্চিত ঘোষনা করেন। সেই সাথে ওই ওয়ার্ডের মেইন রোডের বৈদ্যুতিক লাইট একদিনের জন্য বন্ধ রাখার জন্য সিদ্ধান্ত নেন। পরবর্তীতে পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব গোলাম মোহাম্মদ কিবরিয়া লিটনে’র নির্দেশনায় মেইন রোডের বৈদ্যুতিক লাইট পূণরায় সচল করার জন্য কর্মচারীরা গেলে কাউন্সিলরের লোকজন বাধা প্রদান করেন। যা ৪নং ওয়ার্ডের জনগনের ক্ষতির কারন।