করোনায় নাট্যকর্মীদের জীবনমান শূন্যে

7
প্রতীকী ছবি

মতামত: বাংলাদেশে মঞ্চ নাটক চতুর্থ শতাব্দী থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে। উত্তর ভারতীয় সংস্কৃতির প্রবেশের মাধ্যমে বাংলা সংস্কৃতিতে নাট্য চর্চার বিকাশ ঘটে থাকে। উত্তর ভারতীয় আর্য সংস্কৃতি বাংলা সংস্কৃতির সাথে মিশে যায়। বাংলা সংস্কৃতির সাথে মঞ্চ নাটক যেনো আত্নিকভাবো জড়িয়ে আছে।

অভিনেতারা সাধারণত পারিপার্শ্বিক কাজ করে থাকলেও ভালো নেই মঞ্চ নাটকের নেপথ্যের শিল্পীরা। মঞ্চনাটকের নেপথ্যে কাজ করে থাকে লাইট ডিজাইনার, মেকাপ আটির্স্ট, পোষাক পরিকল্পনাকারী এবং সাউন্ড আটিস্ট।

লেখক: বিথী রানী মন্ডল শিক্ষার্থী: নাট্যকলা বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।

মঞ্চনাটকে নেপথ্যে শিল্পীদের ভুমিকা অপরিসীম। তাদের ছাড়া মঞ্চনাটক কল্পনা ও করা যায় না। মহামারি করোনার কারণে শিল্পকলা একাডেমি, মহিলা সমিতিতে আগের তুলনায় এখন মঞ্চনাটক খুবই কম হয়। ফলে বর্তমানে নেপথ্যে শিল্পীদের জীবনযাত্রা খুবই দুর্বিসহ হয়ে পড়েছে। কারণ থিয়েটার বা মিডিয়াতে কাজ নাহ থাকলে তাদের আয় নেই বললেই চলে।

মহামারী করোনার কারণে সব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে সাংস্কৃতিক অঙ্গের শিল্পীরা।নেপথ্যের শিল্পীদের কোনো মাসিক বেতন নেই।তাদের জীবন এখন খুবই কষ্টকর হয়ে পড়েছে।নেপথ্যের কলা কুশলীদের বাঁচিয়ে রাখতে হলে আপাতত কালীন সময়ে অনুদানের বিষয়টি নজরে আনতে হবে। যেহেতু লকডাউনে কাজ নেই তাই কলা কুশলীদের তালিকা করে অনুদানের ব্যবস্থা করা হোক। এ দুরবস্থার দ্রুত অবসান ঘটুক।