করোনায় মারা গেছেন সংগীত পরিচালক ফরিদ আহমেদের

6

নিজস্ব প্রতিবেদক: ‘দেশের গুণী সুরকার ও জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত সংগীত পরিচালক ফরিদ আহমেদ মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি…..রাজিউন)। করোনায় আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সকাল ৯টার দিকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।;

জানাযায়, ‘গতকাল দুপুর থেকেই তার অবস্থা খুব খারাপ ছিল। ডাক্তাররা সর্বশেষ চেষ্টা করেও তাকে আর বাঁচাতে পারলেন না। গত মার্চের শেষের দিকে স্ত্রীসহ করোনায় আক্রান্ত হন ফরিদ আহমেদ। ২৫ মার্চ রাতে তাকে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে সেখান থেকে ১১ এপ্রিল তাকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালের আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়।;

চিকিৎসকরা জানান, ‘ডায়াবেটিস সংক্রান্ত জটিলতার ছাড়াও করোনায় ফুসফুসের ৬০ ভাগ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল তার।;

‘অনেক কালজয়ী গানের সুরকার ফরিদ আহমেদ। লিটন অধিকারী রিন্টুর লেখা ও কুমার বিশ্বজিতের গাওয়া ‘তুমি ছাড়া আমি যেন মরুভূমি’ গানে সুর করে প্রথম প্রশংসিত হন ফরিদ আহমেদ। এরপর থেকে অসংখ্য গান সৃষ্টি করেছেন তিনি। নাটক-সিনেমার আবহসংগীতকার হিসেবেও তার অবদান অনেক।;

‘ফরিদ আহমেদের করা গানের মধ্যে উল্লেখযোগ্য-‘ইত্যাদি’র টাইটেল সং ‘কেউ কেউ অবিরাম চুপি’, কুমার বিশ্বজিতের ‘মনেরই রাগ অনুরাগ’, ‘আমি তোরই সাথে ভাসতে পারি মরণ খেয়ায় একসাথে’, ‘রুনা লায়লার গাওয়া ‘ফেরারী সাইরেন’, ‘রুনা সাবিনার কন্ঠে ‘দলছুট প্রজাপতি’, ‘চ্যানেল আইয়ে ‘আজ জন্মদিন’, ক্ষুদে গান রাজ’র ‘থিম সং’, ‘হৃদয়ে মাটি ও মানুষ’র থিম সং, ‘সেরা কণ্ঠ’র থিম সং প্রভৃতি।;

অনেক নাটক, ‘টেলিফিল্ম সিনেমার জন্য গান বানিয়েও সফল হয়েছেন ফরিদ আহমেদ। গানের পাশাপাশি সংগীত সংশ্লিষ্টদের বিপদে-আপদে খোঁজখবর আর সহায়তা করার ক্ষেত্রেও অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন তিনি। তার মৃত্যুকে দেশের সংগীতাঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।;