গোপালগঞ্জে জেলা পরিষদের এক সদস্য সহ তার পুত্র ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে প্রকল্পের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে

23

কে.এম. শফিকুর রহমান , গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জে জেলা পরিষদের এক সদস্য ও তার পুত্র ইউপি চেয়ারম্যান সহ উভয়ের বিরুদ্ধে প্রকল্পের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।

গোপালগঞ্জ জেলা পরিষদের সদস্য সন্তোষ কুমার বিশ্বাস ও তার পুত্র সদর উপজেলার ২নং বৌলতলী ইউপি চেয়ারম্যান বাবু সুকান্ত বিশ্বাসের বিরুদ্ধে বৌলতলী ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের

প্রকল্পের রাস্তা ও মন্দিরের অর্থ বরাদ্দ নিয়ে কোন কাজ না করে প্রকল্প বরাদ্দের লক্ষ-লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ করেছেন ওই ইউনিয়নের শতাধিক বাসিন্দা।

পরে পিতা-পুত্রের বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির নানা বিষয় উল্লেখ করে গত বুধবার (৩০ জুন) গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় সহ অন্যান্য দপ্তরে ওই ইউনিয়নের ইউপি সদস্য নাজমুল, গ্রামবাসী তাহাজ্জেদ, আলমগীর হোসেন, মিল্টন, হাফিজুর, অশোক, সুরুজ ও নিপু সহ প্রায় শতাধিক মানুষের স্বাক্ষরিত লিখিত অভিযোগ জমা দিয়ে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাতের

প্রতিকার চেয়েছেন তারা। অভিযোগ সূত্রে জানাগেছে, ইউপি চেয়ারম্যান সরকারি কোন অনুমতি না নিয়ে “বারখাদিয়া ব্রীজ থেকে কড়িগ্রাম” রাস্তার লক্ষাধিক ইট তুলে এনে বাড়ীর পাশে রেখে নিজের বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করছেন।

কাবিটার মাধ্যমে শুরগ্রাম আরিন্দা বাড়ী থেকে মহাশ্মশান পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ, বরাদ্দ ব্যয় ২ লক্ষ ৬ হাজার টাকা।

বৌলতলী কাঁচা বাজার সার্বজনীন হরি মন্দির নির্মাণ, বরাদ্দ ২ লক্ষ টাকা।

বৌলতলী সার্বজনীন কাঁচা বাজার কালীমন্দির সংস্কার, বরাদ্দ ২ লক্ষ টাকা।

বৌলতলী কাঁচা বাজার হরি মন্দির ও ইউনিয়ন পরিষদ উন্নয়ন, বরাদ্দ ৭৮ হাজার টাকা।

বৌলতলী কাঁচা বাজার কালী মন্দির উন্নয়ন (টি আর), বরাদ্দ ৪৩ হাজার ৫ শত টাকা। উল্লেখ্য, বৌলতলী কাঁচা বাজারে একটি মাত্র মন্দির রয়েছে। সেই মন্দিরকে একবার কালী মন্দির ও আরেকবার হরি মন্দির নামকরণ করে বিভিন্ন খাতে টাকা উত্তোলন করেছে। এগুলো সহ মোট ১৫টি বিষয় উল্লেখ করে অভিযোগ পত্র জমা দিয়েছেন ওই ইউনিয়নের শতাধিক মানুষ।