নাগেরশ্বরীতে গুচ্ছগ্রামবাসীর উপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় জনমনে আতঙ্কের সৃষ্টি

16

কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি : কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় দুধকুমার নদীর তীরে অবস্থিত সরকারী ব্যাপারীর চর গুচ্ছ গ্রামে আধিপত্য বিস্তারের লক্ষে একদল সন্ত্রাসী অতর্কিত হামলা চালিয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় সাধারন মানুষের মাঝে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।


কুড়িগ্রামের নাগেরশ্বরী উপজেলার নুন খাওয়া ইউনিয়নে গত বুধবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে এ সন্ত্রাসী ঘটনায় ৭জন গুচ্ছগ্রামবাসী আহত হন। হামলার পর সন্ত্রাসীরা নদীর এপাড়ে এসে অবস্থান নেয়ায় তাদের ভয়ে আহত ব্যক্তিরা হাসপাতালে আসতে পারছিল না। এ খবর পেয়ে নাগেরশ্বরী থানার এএসআই মজিদের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন। আহতরা হলেন মনছের আলী (৫৫), সুলতান (৩০), এরশাদুল (৪৫), রফিকুল (৪৮), সিদ্দিক (৬৯), খোদেজা (৩৫), সোনা খাতুন (৪৫)।


গুচ্ছগ্রামবাসী জানান- অতি সম্প্রতি বন্যা, নদী ভাঙ্গন এবং অতি বৃষ্টির সময় নদী ভাঙ্গা অসহায় ৭০টি পরিবার খালি পড়ে থাকা সরকারী ব্যাপারীর চর গুচ্ছ গ্রামে এসে আশ্রয় নিয়ে বসবাস করে আসছিল।


এমতাবস্থায় চর কাপনা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জহুরুলর নেতৃত্বে ১২ থেকে ১৫ জনের একটি সন্ত্রাসী দল গুচ্ছ গ্রামে আধিপত্য বিস্তারের জন্য গিয়ে গুচ্ছগ্রামবাসীর উপর অতর্কিত হামলা চালায়।


গুচ্ছগ্রামবাসী অভিযোগ করে- নুনখাওয়া ইউপি চেয়ারম্যান শাহাবুলের ইশারায় চর কাপনা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জহুরুল আমাদেরকে তাড়িয়ে দিয়ে তার মনোনিত ব্যাক্তিদের এই গুচ্ছ গ্রামে এনে বসবাস করতে দিতে চায়।


এব্যাপারে চর কাপনা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জহুরুলের সাথে কথা হলে তিনি দাবী করেন আমি ইউপি চেয়ারম্যানের প্রতিনিধি হয়ে লোকবল সাথে নিয়ে গুচ্ছ গ্রামের ঘরগুলির নাম্বারিং করার জন্য গেলে সেখানে গন্ডগোল বাঁধে। এর বেশী কিছু হয়নি।


একই প্রসঙ্গ কথা হয় নুনখাওয়া ইউপি চেয়ারম্যান শাহাবুলের সাথে। তিনি বলেন- বিযয়টি নিয়ে ইউএনও স্যারের সাথে কথা হয়েছে। তিনি বলেছেন আপাতত আপনি চুপচাপ থাকুন। পরবর্তিতে এব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।