ফ্রি ফায়ারের পক্ষে দেশের হাইকোর্টে সিঙ্গাপুরের গ্যারিনা

19

প্রযুক্তি ডেস্ক: অনলাইন প্লাটফর্মে টিকটক, লাইকি, বিগো লাইভসহ ক্ষতিকর অ্যাপ ও পাবজি, ফ্রি ফায়ারসহ ক্ষতিকর গেম বন্ধে রিট মামলায় ফ্রি ফায়ারের পক্ষে পক্ষভুক্ত হতে হাইকোর্টে আবেদন করেছে সিঙ্গাপুরের গ্যারিনা। সেই আবেদনের তিন দিনের শুনানি শেষে আগামী ২৬ অক্টোবর আদেশের দিন ধার্য করেছেন আদালত।

বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার হাইকোর্ট বেঞ্চ রোববার (১০ অক্টোবর) এই আদেশ দেন।

আবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে ফ্রি ফায়ার গেমের অসংখ্য খেলোয়াড় রয়েছে। আদালতের আদেশে ফ্রি ফায়ার গেমসের লিংক ব্লক করে দেওয়ার কারণে গ্যারিনা অনলাইন প্রাইভেট লিমিটেড ব্যবসায়িকভাবে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাই এই রিট মামলায় পক্ষভুক্ত হতে চায় গ্যারিনা অনলাইন প্রাইভেট লিমিটেড।

ব্যারিস্টার জুনায়েদ আহমেদ চৌধুরী ও ব্যারিস্টার তানভীর কাদের গ্যারিনা অনলাইন প্রাইভেট লিমিটেডের পক্ষে আদালতে শুনানি করেন। শুনানিতে রিটের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার হুমায়ুন কবির পল্লব।

ব্যারিস্টার জুনায়েদ আহমেদ চৌধুরী একটি গণমাধ্যমে বলেন, ‘সম্প্রতি পাবজি, ফ্রি ফায়ারসহ ক্ষতিকর গেম বন্ধের রিটে পক্ষভুক্ত হতে আমরা আবেদন করেছি। আদালত এই আবেদনের আদেশের জন্য আগামী ২৬ অক্টোবর দিন রেখেছেন। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আদালত যদি আমাদের পক্ষভুক্ত হওয়ার আবেদন মঞ্জুর করেন এরপর ফ্রি ফায়ার গেম চালু করতে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

উল্লেখ্য, গত ১৬ আগস্ট সব অনলাইন প্লাটফর্ম থেকে অবিলম্বে পাবজি, ফ্রি ফায়ারসহ ক্ষতিকর গেম বন্ধের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। এসব গেম তিন মাসের জন্য বন্ধ রাখতে বিটিআরসিসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এ নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়। বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

একইসঙ্গে অনলাইন প্লাটফর্মে টিকটক, লাইকি, বিগো লাইভসহ ক্ষতিকর অ্যাপ এবং পাবজি ও ফ্রি ফায়ারসহ ক্ষতিকর গেম বন্ধে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন আদালত।

গত ২৪ জুন অনলাইন প্লাটফর্মে টিকটক, লাইকি, বিগো লাইভসহ ক্ষতিকর অ্যাপ এবং পাবজি, ফ্রি ফায়ারসহ ক্ষতিকর গেম বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে রিট দায়ের করা হয়। রিটে বিবাদী করা হয়েছে ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব, বিটিআরসির চেয়ারম্যান, শিক্ষা সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, আইন সচিব, স্বাস্থ্য সচিব ও পুলিশের আইজিকে। রিট দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের দুই আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির পল্লব ও ব্যারিস্টার মোহাম্মদ কাউছার।