বগুড়ার মেম্বার থেকে জনতার চেয়ারম্যান পরিবার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন

16

শিবগঞ্জ (বগুড়া) প্রতিনিধি : বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পরিবার বর্তমান চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা তোফায়েল আহমেদ সাবু’র বাবা আছির উদ্দিন তিন বারের সফল মেম্বার হিসাবে কাজ করার কারণেই পরবর্তী স্বাধীনতার বছরে রিলিফ চেয়ারম্যান, দ্বিতীয় বার জনগণের ভোটের মাধ্যমে চেয়ারম্যান নির্বাচত হন।চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে সততার সাথে থেকে জনগণের সেবক হিসাবে অক্লান্ত পরিশ্রম করে গেছেন,তার শুশুর পূর্ব পাকিস্তান সময় দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সহিত (প্রেসিডেন্) চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন। শিবগঞ্জ সদর ইউনিয়নের জনগণ মনে করে তোফায়েল আহমেদ সাবু’র পরিবার মানেই জনগণের দরদী সফল চেয়ারম্যান মেম্বার বাড়ি। বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার শিবগঞ্জ সদর ইউনিয়নকে সময় উপযোগী মডেল হিসেবে পরিণত করার লক্ষে চেয়ারম্যান তোফায়েল আহমেদ সাবু নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

তিনি ইতিপূর্বে অত্র ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার ২০০৩সালে নির্বাচন হয়ে টানা ৮ বছর অত্যন্ত সততার সাথে মেম্বার দায়িত্ব পালন করার কারণই এবং ০২-০৮-২০১৬ সালে বিএনপির মনোনীত ধানের শীর্ষ প্রতিক নিয়ে জনগণের ভোট চেয়ারম্যান হিসাবে নির্বাচন হন। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রথম বারের নির্বাচিত হয়েই তার সমস্ত যোগ্যতা দিয়েই সফলতার চেয়ারম্যান তোফায়েল আহমেদ সাবু । তিনি নিবার্চন হওয়ার পর থেকেই তার বিচক্ষণতা বুদ্ধি দিয়ে ইউনিয়নে সফলতার সাথে ব্যাপক উন্নয়ন মূলক কাজ করেছেন। চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে অদ্যাবদি পর্যন্ত তিনি সফলতার সাথে সর্বদা বিচক্ষণতার সঙ্গেই নিয়ে জনগণের পাশে থেকে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। বিগত ০৫ বছর ধরে তিনি তার এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন প্রতিষ্ঠার অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। তার ইউনিয়নের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন যেমন: কাঁচা ও পাকা রাস্তা সংস্কার করা, ইউনিয়ন পরিষদ থেকে বিভিন্ন গ্রামে যাওয়ার জন্য সকল রাস্তা সংস্কার করা। এছাড়াও বিভিন্ন মসজিদ মাদ্রাসা ও মন্দিরসহ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে তার অনেক অবদান রয়েছে। মহামারী করোনার এ দুর্যোগ মূহুর্ত্বে ইউনিয়নের কর্মহীন হয়ে পড়া অনেক পরিবারকে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেছেন এছাড়াও মাক্স এবং স্বাস্থ্যবিধি মানার জন্য ইউনিয়নে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। শীতকালে শীর্থাতদের মাঝে কম্বল ও শীতবস্ত্র বিতরণ করেছেন। সাধারণ মানুষের বিপদের কথা শুনলেই রাত-দিন তাদের কাছেই ছুটে যান।

শুধ তাই নয়, তার সাধ্যানুযায়ী তাদেরকে সর্বদা সাহায্য সহযোগিতা করেছেন।মসজিদ, মাদ্রাসা,এতিমখানা,কবরস্থান,স্কুল-কলেজ,কন্যাদায়গ্রস্থদের সাহায্য করা এবং বিভিন্ন আর্থ-সামাজিক অনুষ্ঠানে তিনি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। শিবগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয়ে দৈনিক জনবানী’র পত্রিকায় একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এলাকায় মাদক ও সন্ত্রাস নিমূলে জিরো টলারেন্স গড়ে তুলা হয়েছে এখানে মাদক আখরার মুল উপরে ফেলা হয়েছে এছাড়াও এলাকায় বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে প্রশাসনের সহযোগিতায় কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। আমার ইউনিয়নে বাকি রাস্তা-ঘাটের উন্নয়ন করা হবে, পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রসারে কাজ করেছি ,এখানে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে তাই তাদেরকে সু-শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে পারলে এ ইউনিয়নকে ডিজিটাল হিসেবে গড়ে তুলতে পারব। সময় উপযোগী মডেল পরিণত করা হয়েছে। আমার ইউনিয়নে কৃষকদের মাঝে ইতিমধ্যে বিভিন্ন কৃষি প্রনোদণা দিয়েছি তাদের কৃষিবিষয়ক প্রশিক্ষন ও দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, বর্তামান সরকারের ঘোষণায় বগুড়া জেলার ৪টি উপজেলাকে শতভাগ ভাতার আওতার অনুমোদন ঘোষনা করেছেন তার মধ্যে আমার বগুড়া শিবগঞ্জ উপজেলা রয়েছে।

তাই আমার শিবগঞ্জ সদর ইউনিয়ন বাসীর জন্য সরকারের দেওয়া বরাদ্দসমূহের সুষম বন্টন এবং অসহায় ও দুস্থদের মাঝে বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেবার চেষ্ঠা করেছি এবং আগামীতেও করব এবং সচ্ছতার ভিত্তিতে বয়স্ক প্রতিবন্ধী ও বিধবা ভাতার প্রদান করেছি এবং যারা অস্বচ্ছল তাদেরকে ভাতার আওতায় নেয়া হবে আমার উপজেলা চেয়ারম্যান মহোদয় ফিরোজ অাহম্মেদ রিজু অামাকে এ ব্যপারে সার্বিক সহযোগিতা করছেন। তিনি বলেন, সদর উপজেলার মডেল ইউনিয়ন পরিষদ গড়ার জন্য আমি নিরলসভাবে পরিশ্রম করে যাচ্ছি, অত্র ইউনিয়ন সকল শিক্ষার উন্নয়নের চেষ্টা করছি এবং ইউনিয়নের কলেজ হাট আমার ইউনিয়নের একটি বড় হাট যদি হাটটি সরকারীভাকে ডাকা হয় তবে অনেক রাজস্ব আসবে যা দ্বারা আমার শিবগঞ্জ সদর ইউনিয়ন বাসীর উন্নয়নের পাথেয় হবে বলে আমি বিশ্বাস করি। পরিশেষে জনবান্ধব,জনতার চেয়ারম্যান বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শকে বুকে ধারণ করে রাস্ত-ঘাট পাকাকরণ, কৃষির সাফল্য ও শিক্ষার প্রসার ঘটিয়ে শিবগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদকে সময় উপযোগী ডিজিটালে রূপান্তরিত করে আধুনিক মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলবো ইনশা-আল্লাহ্।