বছরব্যাপী ফল উৎপাদনের মাধ্যমে পুষ্টি উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে সারাদেশে অ্যাভোকাডোর চারা ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্যোগ

10

নিজস্ব প্রতিবেদক : মাগুরাতে পশ্চিমাফল অ্যাভোকাডোর প্রথম পরীক্ষামূলক চাষ শুরু হয়ছে। অ্যাভোকাডো একটি পুষ্টি সমৃদ্ধ, ভেষজগুণ সম্পন্ন সুস্বাদু ফল। বাংলাদশেে চাষ উপযোগী সম্ভাবনাময়ী বিদেশী ফল অ্যাভোকাডো। বাংলাদেশে যেসব বিদেশী ফলের অধুনা চাষ জনপ্রয়িতা পাচ্ছে তার মধ্যে অ্যাভোকাডো অন্যতম।

অন্যান্য ফলের তুলনায় এ ফলরে মিষ্টতা কম হওয়ায় ডায়াবটেসি রোগীর জন্য অতি উপযোগী। এ ফলের আকার অনেকটা পেয়ারা বা নাশপাতির মতো। এককেটা ফলের ওজন প্রায় ৩০০-৭০০ গ্রাম হয়। ফলের ভেতরে বেশ বড় ডিম্বাকার বীজ থাকে। আর্হায্য অংশ মাখনের মত মসৃণ, হালকা মিষ্টি স্বাদের। একই কারণে অনেকের কাছে এটি মাখন ফল নামে পরিচিত।

পেঁপের মতো কাঁচা-পাকা ফল, সবজি, র্ভতা, সালাদ, শরবতসহ ভিন্নতরভাবে খাওয়ার সুবিধা আছে। টোস্টে মাখনের পরিবর্তে অ্যাভোকাডো ক্রিম দিয়ে খাওয়া, সালাদে, স্যান্ডুইচে মেয়নেজের পরিবর্তে অ্যাভোকাডোর ক্রিম দিয়ে আহার করা স্বাস্থ্যসম্মত। এ ফলের আদি জন্মস্থান মেস্কিকো ও গুয়াতেমালা।

হর্টিকালচার সেন্টার, মাগুরাতে উদ্যানত্ত্ববিদ ড. খান মোঃ মনিরুজ্জামান এ টাইপ ও বি টাইপের দুটি চারা ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ড থকেে এনে ২০১৪ সালে রোপণ করেন। গতবারই প্রথম গাছ দুটিতে ফল ধরে। ইতোমধ্যে ড. মোঃ মেহেদী মাসুদ, প্রকল্প পরিচালক, বছরব্যাপী ফল উৎপাদনের মাধ্যমে পুষ্টি উন্নয়ন প্রকল্প মহোদয় হর্টিকালচার সেন্টার, মাগুরাতে ১৮০ টি চারা সরবরাহ করেছেন কলম উৎপাদন করার জন্য।

ড. খানের তত্ত্বাবধানে গবেষণার মত করে ‘এ’ টাইপ ও ‘বি’ টাইপের পাশাপাশি দুইটা বেডে সম সংখ্যক এ টাইপ ও বি টাইপের অ্যাভোকাডো চারা কলম তৈরী করা হয়েছে। উক্ত প্রকল্পের আওতায় স্বল্প পরিসরে প্রথিতযশা ফল চাষী মোঃ নাসির হোসনের মাধ্যমে বাণিজ্যিক বাগান সৃজন করা হবে।

এতে করে হর্টিকালচার সেন্টার, মাগুরার সহায়তায় বাংলাদেশে দক্ষিণ-পশ্চিমঞ্চলে বাণিজ্যিকভাবে এ্যাভোকাডো চাষাবাদের নব দিগন্তের সূচনা হবে। বাকি চারাগুলো বছরব্যাপী ফল উৎপাদনের মাধ্যমে পুষ্টি উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে মাতৃগাছ সৃজনের লক্ষ্যে সমগ্র বাংলাদশেরে হর্টিকালচার সেন্টার গুলোতে দুটি করে চারা সরবরাহ করা হবে যাতে করে এ্যাভোকাডো চাষাবাদ সারাদশেে দ্রুত ছড়য়িে দেওয়া যায়।

এ ফলের চাষাবাদ সম্প্রসারণে আগামী বছর আরও অনেক কলম উৎপাদন করা হবে বলে হর্টিকালচার সেন্টার, মাগুরা ও বছরব্যাপী ফল উৎপাদনের মাধ্যমে পুষ্টি উন্নয়ন প্রকল্পের সমন্নয়ের মাধ্যমে কৃষকের কাছে পৌছে দেওয়া হবে বলে জানান প্রকল্প পরিচালক ড. মোঃ মেহেদী মাসুদ।

ইতোমধ্যে বৃক্ষপ্রেমি প্রাথমিক ও গণশক্ষিা মন্ত্রণালয়রে সিনিয়র সচিব জনাব আকরাম আল হোসেনের গ্রামের বাড়ি হাজীপুরে ও শ্রীপুর উপজেলার জনৈক কৃষকের বাড়িতে এ্যাভোকাডো চাষাবাদ হচ্ছে।ড. খান আশাবাদ ব্যক্ত করনে যে, রকমারি ফল উৎপাদন উপযোগী মাগুরা জেলাতে নিকট ভবিষ্যতে হর্টিকালচার সেন্টারের সহযোগিতায় এ্যাভোকাডো চাষাবাদ দ্রুত সম্প্রসারিত হবে।