মামুনুল হকের নতুন আরেক বান্ধবীর সন্ধান

24

নিজস্ব প্রতিবেদক: ‘হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকের নতুন আরেক বান্ধবীর সন্ধান পেয়েছে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা। এতদিন গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তারা ওই নারীকে তার প্রথম স্ত্রী হিসেবে ধারণা করে আসছিলেন। কিন্তু গত কয়েকদিনে তাদের একাধিক ফোনালাপ ফাঁস এবং ঘনিষ্ঠদের সঙ্গে কথা বলে তৃতীয় ‘প্রেমিকার’ বিষয়ে নিশ্চিত হয়েছেন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা।;

‘মামুনুল হক সম্পর্কে ছায়া অনুসন্ধান করতে গিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি ইউনিট তথ্য পায়, বিবাহিত ওই নারীর সঙ্গে জান্নাত আরা ঝর্নার মতো অনৈতিক সম্পর্ক ছিল মামুনুল হকের।;

জানা গেছে, ‘মামুনুল হক ওই নারীর সঙ্গেও বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন। ওই নারী শিক্ষকতা করতেন একটি মহিলা মাদ্রাসায়। তার ব্যবহৃত ডিভাইস থেকে মিলেছে এ সংক্রান্ত নানা তথ্য-উপাত্ত।;

অনুসন্ধান বলছে, ‘তৃতীয় প্রেমিকা’ যেখানে শিক্ষকতা করতেন মামুনুল হক ওই প্রতিষ্ঠানের প্রধান উপদেষ্টা’। আর মাদ্রাসার পাশেই ভাড়া বাসায় থাকতেন ওই নারী। সেই সুবাদে মাঝে মধ্যেই যাতায়াত করতেন মামুনুল হক। এ সংক্রান্ত অনেক তথ্য প্রমাণ রয়েছে গণমাধ্যমের কাছে।;

‘মাওলানা মামুনুল হক ও ওই নারীর একাধিক ফোনালাপ সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রে গণমাধ্যমের কাছে এসেছে। ‘ফাঁস হওয়া এসব ফোনালাপের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া গেছে তাদের অনৈতিক সম্পর্ক ও ওই শিক্ষিকার বাসায় যাতায়াতের বিষয়টি’।;

‘নারায়ণগঞ্জের ওই ঘটনার পর তৃতীয় প্রেমিকা সম্পর্কে কিছুটা তথ্য পাওয়া যায় একটি ফোনালাপের পর। সে সময় রিসোর্টে থাকা অবস্থায় মুফতি এনায়েতুল্লাহকে ফোন করেছিলেন মামুনুল হক। ওই ফোনালাপে মুফতি এনায়েতুল্লাহকে কথিত স্ত্রী নিয়ে রিসোর্টে যাওয়ার কথা জানালে এনায়েতুল্লাহ মামুনুল হককে জিজ্ঞেস করেন ‘কোন ভাবি, কাপাসিয়ার?’ সে সময় তিনি উত্তরে বলেন, না, খুলনার। অবশ্য এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে গণমাধ্যমে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি মুফতি এনায়েতুল্লাহ।;

‘গত ২৬ মার্চ থেকে মোদিবিরোধী আন্দোলনের মধ্যেই ওই নারীর বাসায় গিয়ে একান্ত সময় কাটিয়েছেন মামুনুল হক। ৪৯ সেকেন্ডের অডিওতে ওই নারীকে মামুনুল হকের মতো হুবহু কণ্ঠে বলেন, ‘হ্যালো আমি আসছি। ‘উত্তরে ওই নারী বলেন’ ‘চলে আসছেন। গেট খোলা আছে।;

‘মামুনুল হকের মতো কণ্ঠে বলা হয়, গেট খুলে আমাকে রিসিভ করার ব্যবস্থা করো। এছাড়া কেউ আছে নাকি দেখো আগে। সেসময় আচ্ছা বলে ফোনের লাইন কেটে দেন ওই নারী। ওই বাসা থেকে চলে যাওয়ার পর ফাঁস হয়েছে মামুনুল হক ও ওই নারীর আরেকটি ফোনালাপ।;