রোজিনার নিঃশর্ত মুক্তি ও জড়িতদের বিচারের দাবি ইশরাকের

10

নিজস্ব প্রতিবেদক: ‘সরকার ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করার জন্যই গণমাধ্যমের ওপর নতুন করে চড়াও হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিনএনপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন। প্রথম আলোর সিনিয়র সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি এবং ঘটনার সাথে জড়িতদের বিচারের দাবি করেছেন তিনি।;

‘বুধবার (১৯ মে) সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন আয়োজিত দৈনিক প্রথম আলোর সিনিয়র সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি এবং ঘটনার সাথে জড়িতদের বিচারের দাবিতে করা আন্দোলনে সাংবাদিকেদের সাথে সংহতি জানিয়ে ইশরাক হোসেন এ সব কথা বলেন।;

এ সময় ইশরাক হোসেন বলেন, ‘দেশের প্রথম সারির জনপ্রিয় গণমাধ্যম দৈনিক প্রথম আলোর সিনিয়র একজন নারী সাংবাদিকের ওপর সচিবালয়ে সংঘঠিত ঘটনার কড়া সমালোচনা করেন। সেই সাথে, একজন নারী সাংবাদিকের সাথে এমন ঘটনার পরও দেশের নারীবাদীরা এখনো আন্দোলনে নামছেন না কেন বা কেনই বা এতো দেরি করেছেন এরও তীব্র সমালোচনা করেন। বলেন, রোজিনা ইসলামের মতো একজন সিনিয়র সাংবাদিককে শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে, অদ্ভুত এক মামলা দিয়ে আবার জেলেও পাঠানো হয়েছে। এসব ঘটনায় দেশের নারীবাদীরা কোথায় ছিলেন?

‘অবিলম্বে সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের মামলা প্রত্যাহার করে নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করে ইশরাক বলেন, ‘কার কাছে আমাদের এই মুক্তি চাওয়া হচ্ছে। যাদের কাছে চাচ্ছি তারাই তো পরিকল্পিতভাবে গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধে সাংবাদিকদের ওপর জুলুম নির্যাতনের স্ট্রিম রোলার চালিয়ে আসছেন। সেই নির্যাতনের নতুন করে একটি পার্ট হলেন রোজিনা ইসলাম। বিভিন্ন অজুহাতে সাংবাদিক রুহুল আলম গাজীসহ এখনও অনেক সাংবাদিককেই সত্য বলার অপরাধে কারাভোগ করতে হচ্ছে। আর দেশ ছেড়েছেন কমপক্ষে আরো অর্ধশতাধিক। এসব করে সরকার তাদের অগণতান্ত্রিক উপায়ে ক্ষমতায় থাকার বিষয়টি পাকাপোক্ত করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে।;

‘কারাগারে আটক থাকা রোজিনা ইসলাম, রুহুল আলম গাজীসহ আটক হওয়া প্রত্যেক সাংবাদিকের নিশর্ত মুক্তি দাবি করেন তিনি। সেই সাথে রোজিনা ইসলামের ঘটনায় জড়িত থাকা প্রত্যেকের বিরুদ্ধে শাস্তি দাবি করেন তিনি। গণতন্ত্র রক্ষায়, স্বাধীন গণমাধ্যম ও বাক স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের দাবিতে সাংবাদিকদের করা যেকোনো আন্দোলন সংগ্রামে মাঠে থাকার ঘোষণাও দেন ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন।;

‘ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন আয়োজিত সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি এবং বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ, ঢাকা সাংবাদিক উনিয়নের সভাপতি কাদের গণিসহ বিভিন্ন ইউনিটের সাংবাদিক নেতারা।;