লামায় শারদীয় দূর্গাপূজার প্রস্তুতি সম্পন্ন

33

বান্দরবান, লামা প্রতিনিধি: বান্দরবানের লামা উপজেলার সনাতন ধর্মালম্বীদের সবচেয়ে বড় অনুষ্ঠান শারদীয় দূর্গোৎসবের প্রস্তুতি শেষের পথে। শিল্পীর তুলির আঁচড়ে প্রতিমায় কারুকার্য ও শেষ,ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা মধ্য দিয়ে উপজেলার ৮টি মন্দিরে চলছে সাজসজ্জার কাজ।

লামা কেন্দ্রীয় হরি মন্দিরের পূজা কমিটির সাধারন সম্পাদক শ্রীযুক্ত বাবু বিজয় কান্তি আইচ বলেন, অন্যরকম এক আনন্দ দূর্গোৎসবকে ঘিরে। পূজার সকল প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন হয়েছে।

লামা উপজেলার সবচেয়ে দৃষ্টিনন্দন প্রতিমা তৈরি হয়েছে লামা কেন্দ্রীয় হরি মন্দিরে। মাসাধিকাল থেকে একদল গুণী শিল্পী প্রতিমা তৈরি শেষ করেছেন।

এদিকে উপজেলার ৮টি পূজা মণ্ডপে আনন্দমুখর পরিবেশে পূজা উদযাপনে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশের পক্ষ থেকেও নেয়া হয়েছে সব ধরনের প্রস্তুতি।

লামা কেন্দ্রীয় হরি মন্দিরের পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শ্রীযুক্ত বাবুল কান্তি দাশ জানান, লামা উপজেলায় সবসময়ই সব ধর্মের লোকজনের সহযোগীতায় অত্যন্ত আনন্দ মুখর পরিবেশে পূজা উদযাপিত হয়ে আসছে। স্থানীয় লোকজনের আন্তরিকতা সুষ্ঠ ও সুন্দরভাবে শারদীয় দূর্গোৎসবসহ সব ধরনের ধর্মীয় উৎসব পালনে থানা ও উপজেলা প্রশাসনের আন্তরিকতা লক্ষনীয়।

লামা থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান,আমরা বিভিন্ন পূজা মন্ডপ পরিদর্শন ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সাথে মত বিনিময় করেছি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আমরা শতভাগ আশাবাদি কোন ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে না। পুলিশের পাশাপাশি আনসার-ভিডিপি সদস্য ও পূজা মন্ডপ গুলোতে পূজা চলাকালীন সময়ে অন্যান্য আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও সজাগ দৃষ্টি রাখবেন।

লামা হরি মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি বাবু প্রশান্ত ভট্টাচার্য্য বলেন, দেবীবোধন দিয়ে শুরু দুর্গোৎসব।

দেবী দুর্গা শ্বশুর বাড়ি কৈলাস থেকে কন্যা রূপে মর্ত্য লোকে আসছেন বাপের বাড়ি বেড়াতে। সঙ্গে আসছেন জ্ঞানের প্রতীক দেবী সরস্বতী; ধন, ঐশ্বর্যের প্রতীক দেবী লক্ষ্মী, সিদ্ধিদাতা গণেশ এবং বলবীর্য ও পৌরুষের প্রতীক কার্তিক। এঁরা মায়ের চার সন্তান।

বিজয়া দশমী শারদীয় দুর্গোৎসবের শেষ দিন। প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে সমাপ্তি ঘটবে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা।