শ্রদ্ধা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে পালিত হচ্ছে ‘আখেরি চাহার শম্বা’

45

ধর্ম ডেস্ক: বুধবার আখেরি চাহার শম্বা। হিজরি ২৩ সনের সফর মাসের শেষ বুধবার মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) দীর্ঘ রোগভোগের পর সুস্থ বোধ করেন। দিনটি শ্রদ্ধা, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে পালন করে মুসলিম বিশ্ব।

২৩ হিজরির শুরুতে মহানবী (সা.) গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। ক্রমেই তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় ইমামতি পর্যন্ত করতে পারছিলেন না। ২৮ সফর মহানবী (সা.) সুস্থ হয়ে ওঠেন। দিনটি ছিল সফর মাসের শেষ বুধবার। ওই দিন শেষবারের মতো গোসল করে নামাজে ইমামতি করেন তিনি। তার সুস্থতার খবরে সাহাবিরা উচ্ছ্বসিত হয়ে হাজার হাজার স্বর্ণমুদ্রা, বহু উট ও দুম্বা দান করেন। তবে পরদিন আবার অসুস্থ হয়ে পড়েন মহানবী (সা.)। এর মাত্র ১৫ দিন পর ১২ রবিউল আউয়াল ইন্তেকাল করেন হযরত মুহাম্মদ (সা.)।

ফারসি শব্দগুচ্ছ ‘আখেরি চাহার শম্বা’র বাংলা অর্থ ‘শেষ বুধবার’। দিনটি শ্রদ্ধার সঙ্গে পালন করে ইসলাম ধর্মবিশ্বাসীরা। সাহাবিদের অনুসরণে দান করেন এই দিনে।

ইরান ও উপমহাদেশের মুসলমানগণ যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালন করেন। দিল্লির মুগল বাদশাহগণও যথেষ্ট মর্যাদার সঙ্গে দিবসটি পালন করতেন। বাংলাদেশে এদিন ঐচ্ছিক ছুটি থাকে এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহ বন্ধ থাকে। এদিন মুসলমানগণ নফল নামায পড়েন ও দোয়া-জিকির করেন। কেউ কেউ দরিদ্রদের মধ্যে খাদ্য ও বস্ত্র বিতরণ করেন।