স্বামীকে অজ্ঞান করে ১১ লাখ অর্থসহ প্রেমিক চাচার সাথে পালালেন নববধূ

64

চাটখিল প্রতিনিধি: নোয়াখালীর চাটখিলে বিয়ের পাঁচ দিনের মাথায় স্বামীকে অচেতন করে ১০ ভরি স্বর্ণালংকার, ৫০ হাজার টাকা এবং বিদেশি ১৫ হাজার রিয়াল নিয়ে ‘প্রেমিক’ চাচার সঙ্গে পালিয়েছেন এক নববধূ।

বুধবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে কনের পরিবার চাটখিল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নে বানসা গ্রামের সফি উল্যা বেপারী বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, গত শুক্রবার (৮ অক্টোবর) পারিবারিকভাবে উপজেলার বানসা গ্রামের সফি উল্যা বেপারী বাড়ির আবদুল জলিলের মেয়ে শারমিন আক্তারের (২১) সাথে একই উপজেলার সাজ্জাত হোসেনের (৩০) বিয়ে হয়। মঙ্গলবার (১২ অক্টোবর) সাজ্জাত তার স্ত্রী শারমিনকে নিয়ে শ্বশুর বাড়িতে বেড়াতে যায়। সেখানে স্ত্রী শারমিন আক্তার রাতে সাজ্জাতকে চেতনানাশক ওষুধ খাইয়ে দিয়ে পরিবারের সদস্যদের অগোচরে উধাও হয়ে যায়। এ সময় শারমিন ১০ ভরি স্বর্ণালংকার, ৫০ হাজার টাকা এবং বিদেশি ১৫ হাজার রিয়ালসহ মোট ১০ লাখ ৮০ হাজার টাকার মালামাল সাথে নিয়ে যায়।

ভুক্তভোগীর মা জানান, তিনি বুধবার সকালে সংবাদ পেয়ে সাজ্জাতের শ্বশুর বাড়িতে গিয়ে তার ছেলেকে অজ্ঞান অবস্থায় দেখতে পান। পরে সাজ্জাতকে উদ্ধার করে চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

তিনি আরো জানান, নববধূ বিয়ের সময় স্বামীর দেওয়া ১০ ভরি স্বর্ণের গহনা, স্বামীর কাছে থাকা ৫০ হাজার টাকা এবং বিদেশি ১৫ হাজার রিয়াল (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় তিন লাখ টাকা) নিয়ে উধাও হয়ে গেছে। তারা বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করেছেন।

এ বিষয়ে জানতে শারমিনের বাবা আবদুল জলিলের মুঠোফোনে কল করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি। তার বড় মেয়ে রুমি ফোন রিসিভ করে শারমিন পালিয়ে যাওয়ার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কোথায় বা কার সাথে পালিয়ে গেছে তা আমাদের জানা নেই।

চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল খায়ের এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, নববধূ নিখোঁজের পর তার বাবা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। পুলিশ তাকে উদ্ধারে অভিযান চালাচ্ছে।