দৈনিক জনবাণী | বাংলা নিউজ পেপার | Daily Janobani | Bangla News Paper
শনিবার, ১৩ আগস্ট ২০২২

৩ বছর পর পর বিয়ে করেন এই দম্পতি!


নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ৫ এপ্রিল ২০২২, ০৭:১১ পূর্বাহ্ন

পৃথিবীতে অনেক অদ্ভুত স্বভাবের মানুষ রয়েছে। তেমনি রয়েছে তাদের উদ্ভট সব চিন্তা ভাবনা। সেই চিন্তা এবং কাজ মানুষকে বিনোদনের খোরাকও জুগিয়ে থাকে ক্ষণিকের জন্য। সম্প্রতি এক জাপানি দম্পতির প্রসঙ্গ সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। তিন বছর পর পর তারা একে অপরকে ডিভোর্স দিচ্ছেন তারপর আবার বিয়ে করছেন। খবর নিউজ এইটিনের।

এমনটা করার কারণ জানেন কি? সেই কারণও বেশ অদ্ভুত। আসলে এই দম্পতি একে অপরকে বিয়ে করলেও নিজেদের পদবি ছেড়ে যেতে চাননি। এ সময় তারা এক অদ্ভুত উপায় বের করে নেন। সে খবর সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ্যে আসতেই ভাইরাল হয়ে যায় মুহূর্তেই।

টোকিওর নিকটবর্তী হাচিওজি শহরে ঘটেছে এই অদ্ভুত কাণ্ড। সেখানেই এক দম্পতি বাস করেন যারা তাদের উপাধি সম্পর্কে খুব সংবেদনশীল। পরিচয়ের পর কয়েক মাস একে অপরকে ডেট করেন। তারপর ২০১৬ সালে বিয়ের পিড়িতে বসেন এই দম্পতি। নিজেদের উপাধি পরিবর্তন যেন না করতে হয় এ জন্য তারা উপায় খুঁজছিলেন। সেসময় তাদের এক বন্ধু সঙ্গে এই বিষয়ে আলোচনা করেন। কিন্তু কোনো সমাধান খুঁজে পাচ্ছিলেন না। ঠিক সেই সময় ওই দম্পতি আরেক দম্পতির কথা জানতে পারেন যাদের একই ধরনের সমস্যা ছিল। যারা প্রথম এই পদ্ধতি আবিষ্কার করেছিলেন। এরপর জাপানি এই দম্পতি সেই উপায় অবলম্বন করেন। তিন বছর পর পর পরস্পরকে তালাক দিয়ে আবার বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেন তারা।

২০১৬ সালে এই দম্পতি প্রথমবার বিয়ে করেন। তারপর স্ত্রী তার স্বামীর উপাধি গ্রহণ করেন। স্বামীর নাম নিজের নামের সঙ্গে ব্যবহার করা একদমই পছন্দ ছিল না ওই নারীর। ২০১৯ সালে তারা ডিভোর্স দিয়ে দেন এবং আবার বিয়ে করেন। সেবার বিয়ের রেজিস্ট্রিতে নিজের প্রথম নাম লেখেন দু’জনেই।

স্বামী তার স্ত্রীর উপাধি জুড়ে নেন নিজের নামে সঙ্গে। এভাবে কেটেছে আরও তিন বছর। এই বছরের জুলাইয়ে তারা আবার বিবাহবিচ্ছেদ করতে চলেছেন তৃতীয় বারের মতো। এই বিবাহ বিচ্ছেদের পরে স্ত্রী আবার আগামী তিন বছরের জন্য স্বামীর উপাধি গ্রহণ করবেন।

যদিও এভাবে বিবাহ বিচ্ছেদের পদ্ধতি ছাড়াও, তাদের অন্য দেশে গিয়ে বিয়ে করার উপায় ছিল। সেখানে দম্পতিরা তাদের নিজ নিজ উপাধি রাখতে পারতেন। এরপর জাপানে ফিরে এখানকার আদালতে আবেদন করতে হত তাদের বিয়ের স্বীকৃতির জন্য।

এসএ/

আরও পড়ুন